আমেরিকার সঙ্গে বৈঠকে বসার আগে নিজেদের অবস্থান বুঝিয়ে দিল ইরান। রবিবার বিকেল সুইৎজ়ারল্যান্ডে বৈঠকে বসেছেন আমেরিকা এবং ইরান। তবে ইরানের স্পষ্ট বক্তব্য, লেবাননে ইজ়রায়েলি হামলা বন্ধ না-হলে পরবর্তী পর্যায়ের আলোচনা সম্ভব নয়। এই শর্তেই আমেরিকার সঙ্গে বৈঠকে বসেছে তারা।
ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের বক্তব্য, বোঝাপড়া চূড়ান্ত করে পরবর্তী পর্যায়ের আলোচনা শুরু করার আগে লেবাননে শান্তি ফেরাতে হবে। লেবাননে সংঘর্ষবিরতি বাস্তবায়িত না-হলে পরবর্তী পর্যায়ের আলোচনা সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, আমেরিকা-ইরান চূড়ান্ত সমঝোতার পথে অন্যতম কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে লেবানন সমস্যা। লেবাননে দীর্ঘ দিন ধরেই সক্রিয় ইরানের মদতপুষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজ়বুল্লা। তাদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলছে আমেরিকার ‘বন্ধুরাষ্ট্র’ ইজ়রায়েলের।
সম্প্রতি আমেরিকা-ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মউয়ে বলা হয়েছে, লেবানন-সহ সর্বত্র সংঘর্ষবিরতি কার্যকর হবে। কিন্তু তা মানতে নারাজ ইজ়রায়েল। সংঘর্ষবিরতি ঘোষণার পরেও তারা লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় রবিবার বিকেলে (ভারতীয় সময়ে) সুইৎজ়ারল্যান্ডের বারগেনস্টকে বৈঠকে বসেছে আমেরিকা এবং ইরান। মধ্যস্থতাকারী হিসাবে রয়েছে পাকিস্তান এবং কাতারও। ওই বৈঠক শুরুর ঠিক আগেই সমাজমাধ্যম পোস্টে তেহরানের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমায়েল বাঘেই।
সমাজমাধ্যমে বাঘেই লেখেন, “যুদ্ধ বন্ধ করার বিষয়ে গত ১৮ জুন স্বাক্ষরিত মউয়ে উল্লিখিত শর্তগুলির কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে, তা নিয়ে আলোচনার জন্য সুইৎজ়ারল্যান্ডে বৈঠক হচ্ছে।” তাঁর দাবি, মউয়ের বেশ কিছু অংশ কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে, তার উপর নির্ভর করছে চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনা। এর মধ্যে প্রথম অনুচ্ছেদেই রয়েছে লেবানন-সহ সর্বত্র যুদ্ধ বন্ধ করার বিষয়। সেটি বাস্তবায়িত না-হলে চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান তিনি। বাঘেই আরও লেখেন, মূলত তিনটি লক্ষ্য নিয়ে রবিবার বৈঠকে বসছে ইরান। প্রথমত, লেবানন সমস্যার সমাধান। দ্বিতীয়ত, ইরানের তেল রফতানি সংক্রান্ত বিষয়। তৃতীয়ত, ইরানের ‘ফ্রিজ়’ হওয়া সম্পদ ছাড়ানো।
উল্লেখ্য, লেবাননে হামলার বিরোধিতায় শনিবারই ইরান ঘোষণা করে দেয়, তারা ফের হরমুজ় বন্ধ করে দিচ্ছে। যদিও আমেরিকার দাবি, তাদের কাছে হরমুজ় বন্ধ হওয়ার কোনও খবর নেই। এ সবের মধ্যেই ইরানি সূত্রে রয়টার্স জানায়, লেবাননে সংঘর্ষবিরতি বাস্তবায়িত না-হলে হরমুজ় খোলা হবে না। অন্য দিকে, ইজ়রায়েলও পিছু হটতে চাইছে না। সে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজ়রায়েল কাট্জ় জানিয়েছেন, লেবাননে কোনও প্রকার ঝুঁকির মুখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার ক্ষেত্রে বাহিনীর উপর কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। ইজ়রায়েলি বাহিনী এখনও লেবাননে রয়েছে, তা-ও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের বক্তব্য, বোঝাপড়া চূড়ান্ত করে পরবর্তী পর্যায়ের আলোচনা শুরু করার আগে লেবাননে শান্তি ফেরাতে হবে। লেবাননে সংঘর্ষবিরতি বাস্তবায়িত না-হলে পরবর্তী পর্যায়ের আলোচনা সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, আমেরিকা-ইরান চূড়ান্ত সমঝোতার পথে অন্যতম কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে লেবানন সমস্যা। লেবাননে দীর্ঘ দিন ধরেই সক্রিয় ইরানের মদতপুষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজ়বুল্লা। তাদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলছে আমেরিকার ‘বন্ধুরাষ্ট্র’ ইজ়রায়েলের।
সম্প্রতি আমেরিকা-ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মউয়ে বলা হয়েছে, লেবানন-সহ সর্বত্র সংঘর্ষবিরতি কার্যকর হবে। কিন্তু তা মানতে নারাজ ইজ়রায়েল। সংঘর্ষবিরতি ঘোষণার পরেও তারা লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় রবিবার বিকেলে (ভারতীয় সময়ে) সুইৎজ়ারল্যান্ডের বারগেনস্টকে বৈঠকে বসেছে আমেরিকা এবং ইরান। মধ্যস্থতাকারী হিসাবে রয়েছে পাকিস্তান এবং কাতারও। ওই বৈঠক শুরুর ঠিক আগেই সমাজমাধ্যম পোস্টে তেহরানের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমায়েল বাঘেই।
সমাজমাধ্যমে বাঘেই লেখেন, “যুদ্ধ বন্ধ করার বিষয়ে গত ১৮ জুন স্বাক্ষরিত মউয়ে উল্লিখিত শর্তগুলির কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে, তা নিয়ে আলোচনার জন্য সুইৎজ়ারল্যান্ডে বৈঠক হচ্ছে।” তাঁর দাবি, মউয়ের বেশ কিছু অংশ কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে, তার উপর নির্ভর করছে চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনা। এর মধ্যে প্রথম অনুচ্ছেদেই রয়েছে লেবানন-সহ সর্বত্র যুদ্ধ বন্ধ করার বিষয়। সেটি বাস্তবায়িত না-হলে চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান তিনি। বাঘেই আরও লেখেন, মূলত তিনটি লক্ষ্য নিয়ে রবিবার বৈঠকে বসছে ইরান। প্রথমত, লেবানন সমস্যার সমাধান। দ্বিতীয়ত, ইরানের তেল রফতানি সংক্রান্ত বিষয়। তৃতীয়ত, ইরানের ‘ফ্রিজ়’ হওয়া সম্পদ ছাড়ানো।
উল্লেখ্য, লেবাননে হামলার বিরোধিতায় শনিবারই ইরান ঘোষণা করে দেয়, তারা ফের হরমুজ় বন্ধ করে দিচ্ছে। যদিও আমেরিকার দাবি, তাদের কাছে হরমুজ় বন্ধ হওয়ার কোনও খবর নেই। এ সবের মধ্যেই ইরানি সূত্রে রয়টার্স জানায়, লেবাননে সংঘর্ষবিরতি বাস্তবায়িত না-হলে হরমুজ় খোলা হবে না। অন্য দিকে, ইজ়রায়েলও পিছু হটতে চাইছে না। সে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজ়রায়েল কাট্জ় জানিয়েছেন, লেবাননে কোনও প্রকার ঝুঁকির মুখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার ক্ষেত্রে বাহিনীর উপর কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। ইজ়রায়েলি বাহিনী এখনও লেবাননে রয়েছে, তা-ও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
আন্তজার্তিক ডেস্ক